Skip to content

পাহাড় ও আমি

Posted in Nostalgia

Share

আমার কৈশোরের অনেকটাই জুড়ে রয়েছে পাহাড়ের স্মৃতি। পাহাড়ের যত কাছেই তুমি যেতে চাও, পাহাড় শুধু আরো পেছনে চলে যায়। আমাদের বাসা থেকে পাহাড় খুব একটা দূরে মনে হতো না, কিন্তু যাওয়া শুরু করলে বুঝতাম। পথ আর শেষ হয় না। একটু পাহাড়ের বর্ননা না দিলেই নয়।

সীতাকুন্ডের চন্দ্রনাথ মন্দির পাহাড়ের একদম চূড়ায়। সেখানে যাওয়ার সাধারণ ভাবে দুইটা পথ আর আমাদের জন্য ত্রিতীয় একটা পথ ছিল।একটা সম্ভুনাথ মন্দির হয়ে সরাসরি আর একটা সম্ভুনাথ মন্দির হয়ে বিরূপাক্ষ মন্দির হয়ে চন্দ্রনাথ মন্দির।এই চন্দ্রনাথ পাহাড়ে যাওয়ার পথে শংকর মঠ। এটা বেশ উচু একটা টিলার উপর ছিল। বয়স্ক যারা বেড়াতে যেতেন, তাদের দৌড় ওই পর্যন্তই ছিলো। পাহাড় সহ সমস্ত এলাকা টাই জংগল। আমলকি, হরিতকি,পেয়ারা সহ ফল ও অন্যান্য গাছগাছালি তে পাহাড় ঠাসা। ছোটখাটো বাঘ থেকে শুরু করে হরিন ভালুক সবই ছিলো। আর ছিলো প্রচুর বানর।পাহাড়ের উপর থেকে নেমে আসা কয়েকটা ঝরনা সমতলের দিকে বহমান। চারিদিকে শুধুই সৌন্দর্য।

শুক্রবার ছিল স্কুল বন্ধ।আমরা সকালে রওয়ানা হতাম পাহাড়ের দিকে। সারা দিন পাহাড় ঘুরা। একদিন আমরা চন্দনাথ মন্দিরে গেলাম। আগেও গিয়েছি অনেকবার। চারিদিকে কেমন যেন একটা বোটকা গন্ধ। আমরা বেশী গুরুত্ব দিলাম না। মন্দিরের চারপাশ ঘিরে বারান্দা। আমরা বারান্দায় বসে একটু বিশ্রাম নিচ্ছি। এমন সময় আমরা সবাই খেয়াল করলাম। পেছনের দিকের শন গাছের জংগল দুলছে। ভাল করে খেয়াল করে দেখি এক বাঘিনী তার দুই শাবক নিয়ে খেলা করছে। আমাদের কাছে অস্ত্র বলতে কিছুই নেই। বুদ্ধি করে বাতাসের বিপরিতে ধীরে ধীরে পেছনের দিকে যেতে থাকলাম। কতক্ষন হেটেছি সেই খেয়াল নেই। এক সময় দেখলাম আমরা মোটামুটি নিরাপদ জায়গায় চলে এসেছি। এক কাঠুরিয়া লাকরি কাটছিলো, তাকে ঘটনা বললাম, সেও আমাদের সাথে নিচের দিকে রওয়ান হলো।

This is one of the childhood stories from a series of short tales written by my father. I really admire these posts because it gives me a perspective, through my father’s eyes, on how things were and what a child/young adult’s life was like in rural and even urban Bangladesh during the 60s and 70s.

Share

Be First to Comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *